Activity Info
- কক্সবাজার বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্হিত একটি পর্যটন শহর। এটি চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত। কক্সবাজার তার নৈসর্গিক সৌন্দর্য্যের জন্য বিখ্যাত। এখানে রয়েছে বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন প্রাকৃতিক বালুময় সমুদ্র সৈকত যা কক্সবাজার শহর থেকে বদরমোকাম পর্যন্ত একটানা ১২০ কি.মি. পর্যন্ত বিস্তৃত। এখানে রয়েছে বাংলাদেশের বৃহত্তম সামুদ্রিক মৎস্য বন্দর এবং সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন।
কক্সবাজার চট্টগ্রাম শহর থেকে ১৫২ কিঃমিঃ দক্ষিণে অবস্হিত। ঢাকা থেকে এর দূরত্ব ৪১৪ কি.মি.। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পর্যটন কেন্দ্র। দেশের রাজধানী ঢাকা থেকে সড়ক পথে এবং বাসযোগে কক্সবাজার যাওয়া যায় চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার অবধি রেললাইস স্থাপনের প্রকল্প গৃহীত হয়েছে।
কক্সবাজার নামটি এসেছে ক্যাপ্টেন হিরাম কক্স নামে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির এক অফিসারের নাম থেকে। কক্সবাজারের আগের নাম ছিল পালংকি। ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি অধ্যাদেশ, ১৭৭৩ জারি হওয়ার পর ওয়ারেন্ট হোস্টিং বাঙলার গভর্ণর হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত হন। তখন হিরাম কক্স পালংকির মহাপরিচালক নিযুক্ত হন। ক্যাপ্টেন কক্স আরাকান শরণার্থী এবং স্থানীয় রাখাইনদের মধ্যে বিদ্যমান হাজার বছরেরও পুরানো সংঘাত নিরসনের চেষ্টা করেন। এবং শরণার্থীদের পুণর্বাসনে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সাধন করেন কিন্তু কাজ পুরোপুরি শেষ করার আগেই মারা (১৭৯৯) যান। তার পূর্নবাসন অবদানকে স্মরণীয় করে রাখতে একটি বাজার প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং এর নাম দেয়া হয় কক্স সাহেবের বাজার। কক্সবাজার থানা প্রথম প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৫৪ সালে এবং পৌরসভা গঠিত হয় ১৮৬৯ সালে।
পর্যটন শিল্পকে কেন্দ্র করে এখানে গড়ে উঠেছে অনেক প্রতিষ্ঠান। বেসরকারি উদ্যোগে নির্মিত অনেক হোটেল, বাংলাদেশ পর্যটন কেন্দ্র নির্মিত মোটেল ছাড়াও সৈকতের নিকটেই দু’টি পাঁচতারা হোটেল রয়েছে। এছাড়া এখানে পর্যটকদের জন্য গড়ে উঠেছে ঝিনুক মার্কেট। সীমান্তপথে মিয়ানমার (পূর্ব নাম - বার্মা),থাইল্যান্ড, চীন প্রভৃতি দেশ থেকে আসা বাহারি জিনিসপত্র নিয়ে গড়ে উঠেছে বার্মিজ মার্কেট।
কক্সবাজারে বিভিন্ন উপজাতি বা নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী বাস করে যা শহরটিকে করেছে আরো বৈচিত ময়।
রয়েছে বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের পবিত্র তীর্থস্থান হিসেবে বৌদ্ধ মন্দির। কক্সবাজার শহরে যে মন্দিরটি রয়েছে তাতে বেশ কিছু দুর্লভ বৌদ্ধ মূর্তি আছে। এই মন্দির ও মূর্তিগুলো পর্যটকদের জন্য অন্যতম আকর্ষণ ও কেন্দ্রবিন্দু। কক্সবাজারে শুধু সমুদ্র নয়, আছে বাঁকখালী নামে একটি নদীও। এই নদীটি শহরের মৎস্য শিল্পের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কক্সবাজার বাংলাদেশের সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর স্থান হিসেবে বিখ্যাত।
লাবণী পয়েন্ট
কক্সবাজার শহর থেকে নৈকট্যের কারণে লাবণী পয়েন্ট কক্সবাজারের প্রধান সমুদ্র সৈকত বলে বিবেচনা করা হয়। নানারকম জিনিসের পসরা সাজিয়ে সৈকত সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে ছোট বড় অনেক দোকান যা পর্যটকদের জন্য বাড়তি আকর্ষণ।
হিমছড়ি পাহার ও শীতল পানির ঝর্ণা
হিমছড়ি কক্সবাজারের ১৮ কি.মি. দক্ষিণে অবস্থিত। ভঙ্গুর পাহাড় আর ঝর্ণা এখানকার প্রধান আকর্ষণ। কক্সবাজার থেকে হিমছড়ি যাওয়ার পথে বামদিকে সবুজঘেরা পাহাড় আর ডানদিকে সমুদ্রের নীল জলরাশি মনোমুগ্ধকর দৃশ্যের সৃষ্টি করে। বর্ষার সময়ে হিমছড়ির ঝর্ণাকে অনেক বেশি জীবন্ত ও প্রাণবন্ত বলে মনে হয়। হিমছড়িতে পাহাড়ের চূড়ায় একটি রিসোর্ট আছে যেখান থেকে সাগরের দৃশ্য অপার্থিব মনে হয়। হিমছড়ির প্রধান আকর্ষণ এখানকার ক্রিসমাস ট্রি। সম্প্রতি হিমছড়িতে গড়ে উঠেছে বেশ কিছু পর্যটন কেন্দ্র ও পিকনিক স্পট।
ইনানী সমুদ্র সৈকত
দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত ছাড়াও কক্সবাজারে সৈকত সংলগ্ন আরও অনেক দর্শনীয় এলাকা রয়েছে যা পর্যটকদের জন্য প্রধান আকর্ষণের বিষয়। সৈকত সংলগ্ন আকর্ষণীয় এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছ, ইনানী সমুদ্র সৈকত যা কক্সবাজার থেকে ৩৫ কি.মি দক্ষিণে অবস্থিত। অভাবনীয় সৌন্দর্যে ভরপুর এই সমুদ্র সৈকতটি কক্সবাজার থেকে রাস্তায় মাত্র আধঘণ্টার দূরত্বে অবস্থিত। পরিষ্কার পানির জন্য জায়গাটি পর্যটকদের কাছে সমুদ্রস্নানের জন্য উৎকৃষ্ট বলে বিবেচিত
ঘুরে আসতে পারেন আপনি ও PARJATAN TRAVELS এর সাথে
Activity start time: 10 PM /-
Activity end time: 10 PM [NEXT 2 DAY /-
Price: 3000 /-
Activity Details
-
1 NIGHT [10PM]: সায়েদাবাদ থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশ্য যাত্রা শুরু করবো।
-
1 DAY: সকালে বাস থেকে নেমে আমাদের বুকিং করা হোটেলের রুমে যাবো, ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করবো।নাস্তা করে সমুদ্র স্নানে যাব ২ঃ৩০মি থেকে ৩ঃ০০পযর্ন্ত খাবার খাবো।পরে বিশ্রাম নিব।বিকালে সী বিচে হবে গান মজা মাস্তি আড্ডা, করবো ফটোসেশন।রাতে নিজেদের মত ঘুরবো।৯ঃ৩০মি এ রাতের খাবার,পরে নিজের মত ঘুরবো
-
DAY 2: সকালে আবার হবে ঝপাঝাপি সমুদ্রস্নান, ১০টা নাস্তা করে হোটেলের রুমে এসে ব্যাগপ্যাক গুছায়ে, রুম থেকে চেক আউট হবো। কমনরুমে আমাদের ব্যাগ রেখে (চাঁদের গাড়ি ,অটোরিকশা CNG)করে মেরিন ড্রাইভের ফিল নিয়ে হয়ে চলে যাবো হিমছড়ি পাহাড়ের উপর ।পাহাড় থেকে দেখবো বিশ্বের সবচেয়ে বড় সমুদ্র সৈকত হবে ফটোসেশান। আবার চলতে থাকবে গাড়ি, এক দিকে সুউচ্চ পাহাড় অন্য দিকে বিস্তীর্ন সবুজ জলরাশি দেখতে দেখত চলে যাব,পাথরের বিচ ইনানী,হবে ঘুরাঘুরি ফটোসেশন, সন্ধায় আবার কক্সবাজার চলে আসবো,এর পর নিজেদের মত ঘুরাঘুরি ও কিনাকাটা করবো।
-
10 PM: আমাদের বাস ছাড়বে, ঢাকার উদ্দেশে।আনুমানিক ভোর ৫ টায় মধ্যে ঢাকা থাকবো ইনশাআল্লাহ
Activity Terms and Conditions
1
সবাই আমরা টিম হয়ে যাবো, সো একটা ফ্যামেলি। তাই সবাইকে সবাই একটু দেখে রাখবো আশাকরি। ট্যুরে ছোট খাট ব্যাপার গুলোকে এড়িয়ে যাওয়ার ট্রাই করবো। ঝগড়া করা থেকে বিরত থাকবো।
2
সবাই সবাই কে সম্মান করবো হোক সে ছোট
3
অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে যে কোন সময় সিদ্ধান্ত বদলাতে পারে, যেটা আমরা সকলে মিলেই ঠিক করব।
4
স্থানীয়দের সাথে কোন রকম বিরূপ আচরণ করা যাবে না। নতুন কারো সাথে কথা বলার ক্ষেত্রে প্রয়োজনে ট্রিপ হোস্টের সহায়তা নিতে হবে।
কোনভাবেই কোন প্রকার মাদক সেবন বা সাথে বহন করা যাবে না। সাথে পাওয়া গেলে তাকে বা তাদেরকে তৎক্ষণাৎ ট্রিপ থেকে বহিষ্কার করা হতে পারে গ্রুপের অন্য সবার সাথে স্বীদ্ধান্ত নিয়ে।
5
নির্দিষ্ট সময়ে ইভেন্ট ফি পরিশোধ করা।
6
ভ্রমন চলাকালিন যেকোন সমস্যা/দুর্ঘটনা মেনে নেওয়ার মন মানসিকতা নিয়েই অংশগ্রহন করা।
7
অনাকাঙ্খিত সমস্যা হোস্টের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা।
8
অতিরিক্ত দু:সাহসিকতা না দেখানো, সাতার না জানলে পানিতে না নামা।
9
সম্পূর্ন ট্রিপের বিবরন ও বিস্তারিত পড়ে অংশগ্রহন করেছেন।
(প্রাকৃতিক দুর্যোগ, রাজনৈতিক অস্থিরতা, দুর্ঘটনা ইত্যাদির জন্য দায়ী নয় এমন কারণে যদি ট্রিপের অনাকাঙ্খিত খরচ বৃদ্ধি পায় সেটা সবাই সমান হার দিব ।
Activity Remark
1
বুকিং দেওয়ার পর কেউ যেতে না পারলে অন্য কেউ সেই জায়গায় যেতে পারবে তবে টাকা ফেরত যোগ্য নয়।
2
আগে আসলে আগে বুকিং এর মাধ্যমে বাসের সিট বন্টন করা হবে।
Activity Include
1
অভিজ্ঞ গাইড
(প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত হাস্য উজ্জ্বল ট্যুর হোস্ট )
2
ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা নন এসি বাস
(শ্যামলী,সি
ডি
এম, সম-মানের বাস)
3
সকল লোকাল ভাড়া
(চাঁদের গাড়ি ,অটোরিকশা CNG)
4
হবে গ্রুপ ফটোসেশান ২ স্থানে।
5
২দিনে ৬ বেলা খাবার
6
সঠিক সময় খাবার খেতে আসতে হবে
খাবার তালিকা:-
সকাল: রুটি/পরাটা+ডিম ভাজি+সবজি+চা
দুপুরে :ভাত+মুরগী / মাছ/গোস্ত+সবজি+ভর্তা
+ডাল
রাত: নান রুটি /তুন্দুল রুটি /ফিস ফ্রাই
বি:দ্র : স্থানীয় ফল থাকবে।
Activity Exclude
1
কোন ব্যক্তিগত খরচ এবং যা উল্লেখ নাই
2
আমদের ইভেন্টে উল্লেখ নেই এমন কোন স্থান ভ্রমণ করলে।
3
ঔষধ/শপিং
4
কোন রকম ব্যক্তিগত বীমা
5
যাওয়া এবং আসা দুই রাতের যাত্রা বিরতির খাবার।